মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

এক নজরে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড, সিরাজগঞ্জ

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড, কেবলমাত্র একটি সংস্থা নয়, এ দেশের প্রতিটি শস্যকণা, বাতাস, পানি, মাটি, পরিবেশ, প্রতিবেশ, মানুষের জীবন-জীবিকা। সর্বত্রই এর অবস্থান। সংস্থাটির সাথে দেশ, দেশের মানুষের নিবিড় সর্ম্পক বহুদিনের পুরনো। সন তারিখের হিসেব করলে পাঁচ দশক আগের কথা। সেই ১৯৫৯ সাল থেকে দেশের বন্যা নিয়ন্ত্রণ, বন্যা পূর্বাভাস, যোগাযোগ ব্যবস্থা, মৎস্য চাষ, সেচ ব্যবস্থা তথা দেশের সামগ্রিক পানি ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের ভূমিকার কথা এখন আর অজানা নাই কারও কাছে। দেশ ও দেশের মানুষের কাছে প্রতিষ্ঠানটি এক ‘আইকনে’ পরিণত হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তন বড় বড় প্রাকৃতিক দুর্যোগে দেশ ও দেশবাসীর পাশে দাঁড়িয়েছে বারবার। গ্রাম-গঞ্জে নতুন নতুন বাঁধ, রেগুলেটর, স্লুইস গেট নির্মাণ,ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধগুলোর মেরামত, নদী খনন, বড় বড় বন্দর-নগর-মহানগর রক্ষায় ’শহর রক্ষাবাঁধ নির্মাণ’-এভাবেই দিনের পর দিন কাজ করে সফল বাস্তবায়ন করেছে ৭৩৫টির অধিক প্রকল্প। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের এ প্রচেষ্টা যেন এক বীরযোদ্ধার নির্ভিক পথচলা। একদিকে প্রকৃতির সাথে লড়াই করে টিকে থাকা অন্যদিকে নতুন নতুন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করে দেশে স্বয়ংসম্ভরতা আনার এক নিরন্তর প্রচেষ্টা। সত্যিই এ প্রতিষ্ঠানটি আমাদের অনুপ্রেরণার প্রতীক। সাম্প্রতিক বছরগুলোর বড় বড় দুর্যোগ; আইলা-সিডর-সুনামি ও জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিরমত্মর মোকাবেলা চলছেই প্রতিদিন। একই সাথে বাড়ছে এ প্রতিষ্ঠানটির কর্মপরিধি। কাঠামোগত  উন্নয়নের পাশাপাশি সাংগঠনিক পরিধিতে এসেছে ব্যাপক আধুনিকায়ন। দেশের নদী খননে সরকারের মহাপরিকল্পনা

বাস্তবায়নে অংশ নিয়েছে। পরিকল্পনায় আছে গঙ্গা ব্যারেজ প্রকল্প বাস্তবায়নের। ওয়ামীপ, সাউথ-ওয়েষ্ট প্রজেক্ট, সিডিএসপি’র মতো অংশগ্রহণ মূলক ও আত্মসংস্থা সমন্বয়ে পরিচালিত বিভিন্ন আকারের প্রকল্পের কাজ চলছে। এদিকে, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ ব্যবস্থায় এসেছে আধুনিকতা। বোর্ডের টেন্ডার প্রক্রিয়ায় এসেছে সরকারের ডিজিটালাইজেশনের রূপান্তর। চালু হতে যাচ্ছে ই-টেন্ডারিং। সরকারের ডিজিটাল ভাবনার বাস্তবতা এসেছে বোর্ডের হিসাব ব্যবস্থাপনায়, বেতন-ভাতাদি, অডিট সংক্রান্তসহ সব বিষয়ে প্রবর্তন করা হয়েছে কম্পিউটারাইজেশন। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের সকল জোন, সার্কেল, ডিভিশন, সাব-ডিভিশনের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে সামগ্রিক কর্মকাণ্ড।

মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, পানি সম্পদ  মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, সচিব, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মহোদয়গণসহ বোর্ডের সকল কর্মকর্তা সদা ব্যসত্ম সংস্থাটির উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নে। প্রায় প্রতিদিনই দেশের কোথাও না কোথাও শুরু হচ্ছে নতুন প্রকল্পের কাজ আবার কোথাও শুরু হচ্ছে সমাপ্তকৃত প্রকল্পের উদ্বোধন। লক্ষ্য একটাই দেশকে প্রাকৃতিক দুর্যোগমুক্ত করে খাদ্যে স্বয়ংসর্ম্পূর্ণতা অর্জন। এ উন্নয়ন ভাবনা থেকে আমাদের তথা দেশবাসীর বিশ্বাস জন্মেছে যে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে। এ ধারা অব্যাহত থাকুক, চিরন্তন এই প্রত্যাশা বাপাউবো অনির্বাণ।

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড, সিরাজগঞ্জ

সিরাজগঞ্জ উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত। এই জেলার প্রাচীন ইতিহাস রয়েছে। অনেক স্বনামধন্য ব্যক্তি এই জেলায় জন্মগ্রহণ করেছে।  ছোট-বড় অনেক নদী এই জেলার উপর প্রবাহিত। তন্মধ্যে বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ নদীগুলোর মধ্যে ‘যমুনা নদী’ এই জেলার উপর ‍দিয়ে প্রবাহমান। সিরাজগঞ্জ জেলার এই নদীগুলোর শাসন,পরিচালন ও রক্ষনাবেক্ষণের জন্য বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের সিরাজগঞ্জ পওর (পরিচালন ও রক্ষনাবেক্ষন) বিভাগ নামে একটি বিভাগীয় দপ্তর রয়েছে। এই দপ্তরের প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী, তাঁর অধীনে সিরাজগঞ্জপওর বিভাগে ৩টি পওর উপ-বিভাগ রয়েছে। ১। সিরাজগঞ্জপওর উপ-বিভাগ, ২। বেলকুচি পওর উপ-বিভাগ এবং ৩। উল্লাপাড়া পওর উপ-বিভাগ। প্রতিটি উপ-বিভাগের দায়িত্বে রয়েছেনে একজন উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী।

সিরাজগঞ্জ পওর উপ-বিভাগঃ 

সিরাজগঞ্জপওর উপ-বিভাগে রয়েছে ৩টি পওর শাখা। ১। সিরাজগঞ্জ পওর শাখা-১, ২। সিরাজগঞ্জ পওর শাখা-২ এবং ৩। সিরাজগঞ্জ পওর শাখা-৩

বেলকুচি পওর উপ-বিভাগঃ 

বেলকুচি পওর উপ-বিভাগে রয়েছে ২টি পওর শাখাঃ ১। বেলকুচি পওর শাখা এবং ২। এনায়েতপুর পওর শাখা।

উল্লাপাড়া পওর উপ-বিভাগঃ 

উল্লাপাড়া পওর উপ-বিভাগে রয়েছে ২টি পওর শাখাঃ ১। উল্লাপাড়া পওর শাখা এবং ২। শাহজাদপুর পওর শাখা।

প্রতিটি শাখার দায়িত্বে রয়েছেন একজন উপ-সহকারী প্রকৌশলী।

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter